‘কনটেন্ট ক্রিয়েটর’ পরিচয়ে মোবাইল বা ক্যামেরায় অনুমতি ছাড়া কারও ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিলে নতুন সাইবার সুরক্ষা আইনে দ্রুত বিচারের কথা সংসদে জানিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে সাংবাদিক, ব্লগার ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে এই আইনের অপব্যবহার হলে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি ও তাঁর পরিবার মামলা করতে পারবে বলেও বলা হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে নেত্রকোনা-৩ আসনের সরকারদলীয় সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম হিলালীর এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য দেওয়া হয়। ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম অনুপস্থিত থাকায় তাঁর পক্ষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জবাব দেন।
লিখিত জবাবে মন্ত্রী বলেন, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগ এ বিষয়ে আইনগত ও প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা নিয়েছে। ১০ এপ্রিল সংসদে পাস হওয়া সাইবার সুরক্ষা আইন, ২০২৬-এর ধারা ২৫(১) অনুযায়ী ওয়েবসাইট বা অন্য কোনো ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে ইচ্ছাকৃতভাবে ব্ল্যাকমেলিং, যৌন হয়রানি, রিভেঞ্জ পর্নো বা সেক্সটরশনের অভিপ্রায়ে তথ্য, ভিডিও, চিত্র বা যেকোনো উপাদান পাঠানো, প্রকাশ, প্রচার, প্রচারের হুমকি দেওয়া বা ভয়ভীতি সৃষ্টি করা অপরাধ।
মন্ত্রী জানান, এ ধরনের ঘটনায় ৯০ দিনের মধ্যে তদন্ত শেষ করার বিধান রাখা হয়েছে, যাতে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা যায়।